Skip to playerSkip to main content
  • 5 years ago
বিশ্বে প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সমস্যা। সচেতন না হলে ধীরে ধীরে আপনাকে নিঃশেষ করে দিতে পারে এই নীরব ঘাতক। জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়মানুবর্তিতাই পারে একে নিয়ন্ত্রণ করতে। তাই ডায়াবেটিস রুখে দিতে সচেতনতাই একমাত্র অস্ত্র।

ডায়াবেটিস কী?
আমরা যখন কোনো খাবার খাই তখন আমাদের শরীর সেই খাদ্যের শর্করাকে ভেঙে চিনিতে (গ্লুকোজ) রুপান্তরিত করে। ইনসুলিন নামের হরমোন আমাদের শরীরের কোষগুলোকে নির্দেশ দেয় চিনিকে গ্রহণ করার জন্য। শরীরে যখন ইনসুলিন তৈরি হতে না পারে অথবা এটি ঠিকমতো কাজ না করে তখনই ডায়াবেটিস হয়। এর ফলে রক্তের মধ্যে চিনি জমা হতে শুরু করে। ইনসুলিনের ঘাটতিই হলো এ রোগের মূল কথা। একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, ৩০ বছর আগের তুলনায় ডায়াবেটিসের সংখ্যা এখন চার গুণ বেশি। বর্তমানে সারা বিশ্বে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ কোটিরও বেশি এবং এর কারণে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশেও এই রোগ ক্রমান্বয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে, সেই সাথে ডায়াবেটিসজনিত অন্যান্য রোগের বিস্তার ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।


ডায়াবেটিসের উপসর্গ:
বেশি তৃষ্ণা পাওয়া
স্বাভাবিকের চাইতেও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
ক্লান্ত বোধ করা
কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
প্রদাহজনিত রোগে বারবার আক্রান্ত হওয়া
দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া
শরীরের কোথাও কেটে গেলে সেটা শুকাতে দেরি হওয়া

যেসব সমস্যা হতে পারে:
রক্তনালীর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে
স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়
দৃষ্টি শক্তি হারাতে পারে
ইনফেকশন হতে পারে পায়ে
অন্ধত্ব, কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়া
হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদির ভয় থাকে

ডায়াবেটিস যদিও জেনেটিক এবং আপনার
জীবন যাপনের ধরনের ওপর নির্ভরশীল

চেষ্টা করলে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারেন

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব-

প্রক্রিয়াজাত খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে

মৃসণ সাদা আটার রুটির পরিবর্তে খেতে হবে ভুসিওয়ালা আটার রুটি

এড়িয়ে চলতে হবে হোয়াইট পাস্তা, প্য

Category

🗞
News

Recommended