কদবেল, শশা এবং পেয়ারা মাখা খেতে দারুণ লাগে! আপনি যে উপাদানগুলো (চিনি, কাঁচা লঙ্কা, জিরে গুঁড়ো) দিয়েছেন, সেগুলো ব্যবহার করে এই তিনটি ফল মাখার সহজ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো। স্বাদ আরও বাড়াতে সাথে একটু কাসুন্দি বা বিট নুন যোগ করতে পারেন।১. কদবেল মাখাউপাদান: কদবেল ১টি, চিনি ২-৩ চামচ (স্বাদমতো), কাঁচা লঙ্কা কুচি বা বাটা ১টি, ভাজা জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, বিট নুন সামান্য এবং সরষের তেল ১ চামচ।প্রণালী: প্রথমে কদবেলের শক্ত খোলসটি ভেঙে ভেতরের অংশ একটি বাটিতে চামচ দিয়ে কুঁড়ে নিন। এবার ওর মধ্যে চিনি, লঙ্কা, জিরে গুঁড়ো, বিট নুন এবং সরষের তেল দিয়ে খুব ভালো করে চটকে মেখে নিন।২. শশা মাখাউপাদান: শশা ১টি (ডুমো ডুমো করে কাটা), চিনি ১/২ চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচি ১টি, ভাজা জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, বিট নুন সামান্য এবং সামান্য ধনেপাতা কুচি (ঐচ্ছিক)।প্রণালী: শশা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি পাত্রে কাটা শশার সাথে চিনি, লঙ্কা কুচি, জিরে গুঁড়ো এবং বিট নুন দিয়ে হালকা হাতে ঝাঁকিয়ে বা চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন। শশা মাখায় অল্প কাসুন্দি দিলে স্বাদ আরও খোলে।৩. পেয়ারা মাখাউপাদান: পেয়ারা ১টি (টুকরো করা), চিনি ১ চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচি বা বাটা ১টি, ভাজা জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, বিট নুন সামান্য এবং কাসুন্দি ১ চামচ (ঐচ্ছিক)।প্রণালী: পেয়ারা মাঝারি আকারের টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি ঢাকনা দেওয়া কৌটো বা বাটিতে পেয়ারার টুকরো, চিনি, লঙ্কা, জিরে গুঁড়ো, বিট নুন এবং কাসুন্দি একসাথে নিন। পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে জোরে জোরে কয়েকবার ঝাঁকিয়ে (shake করে) নিলেই তৈরি জিভে জল আনা পেয়ারা মাখা।আপনি কি এই মাখাগুলো তৎক্ষণাৎ খাওয়ার জন্য বানাচ্ছেন, নাকি কিছুটা টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদ বেশি পছন্দ করেন? জানালে আমি মশলার পরিমাণ বা টক ভাব (যেমন লেবুর রস বা তেঁতুল) যোগ করার সঠিক অনুপাত বলে দিতে পারি।